• ১০ ভাদ্র ১৪৩৩, শুক্রবার ২৮ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Return

কলকাতা

ভবানীপুরে বড় বিতর্ক! শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠকে বসানোয় তৃণমূলের বিস্ফোরক অভিযোগ, নড়েচড়ে কমিশন

ভবানীপুর কেন্দ্রকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী-র ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তিকে রিটার্নিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। এই অভিযোগ সামনে আসতেই নির্বাচন কমিশনের দফতরে চিঠি পাঠানো হয়। এরপরই বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসে কমিশন এবং রাজ্যের কাছে নতুন করে নাম চাওয়া হয়েছে।নন্দীগ্রামের বিডিও সুরজিৎ রায়কে ভবানীপুরের রিটার্নিং অফিসার করা নিয়ে আপত্তি জানায় তৃণমূল। এই কেন্দ্রের প্রার্থী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও এ নিয়ে সরব হন। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় নিরপেক্ষতা বজায় রাখা জরুরি, তাই এমন নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে।গত সোমবার একসঙ্গে ৭৩ জন রিটার্নিং অফিসারকে বদলি করে নির্বাচন কমিশন। সেই তালিকাতেই ছিল সুরজিৎ রায়ের নাম। তিনি আগে নন্দীগ্রামের বিডিও ছিলেন, যে কেন্দ্রের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। বর্তমানে ভবানীপুর কেন্দ্রেই বিজেপির প্রার্থী হিসেবে তিনি লড়ছেন এবং সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে। ফলে রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ নিয়ে তৃণমূলের সতর্কতা আরও বেড়েছে।সূত্রের খবর, তৃণমূলের পক্ষ থেকে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের সদর দফতর এবং রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালকে চিঠি পাঠানো হয়। গত চব্বিশ মার্চ সেই চিঠি পাঠানো হয়েছিল। এরপর কমিশনের তরফে রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্যন্ত নারিওয়ালাকে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে। সেখানে রিটার্নিং অফিসার পদে তিনজনের নাম প্রস্তাব করতে বলা হয়েছে।এদিকে বৃহস্পতিবার রাতেও আরও ২৩ জন রিটার্নিং অফিসারকে বদলি করা হয়েছে। যাদবপুর, কাঁথি, হলদিয়া, ময়না, সোনামুখী-সহ একাধিক কেন্দ্রে এই পরিবর্তন করা হয়েছে। যে কোনও নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ পুরো ভোট প্রক্রিয়া পরিচালনার দায়িত্ব তাঁদের উপরেই থাকে।এই পরিস্থিতিতে ভবানীপুর কেন্দ্রকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ছে। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই এই ধরনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাপানউতোর বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মার্চ ২৭, ২০২৬
কলকাতা

আজ গীতশ্রীর শেষকৃত্য, উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরছেন মুখ্যমন্ত্রী

সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণের খবর পেয়ে উত্তরবঙ্গ সফর মাঝপথে ছেড়েই কলকাতায় ফিরে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার কোচবিহারে ছিলেন তিনি। সেখানেই গীতশ্রীর মৃত্যুর খবর পৌঁছয় তাঁর কাছে। সেখান থেকে কলকাতায় প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে কথা বলে নিজের সফরসূচিতে কাঁটছাট করেন মমতা। জানিয়ে দেন, বুধবার সরকারি তত্ত্বাবধানেই হবে সন্ধ্যার শেষকৃত্য।কলকাতা পুলিশ ইতিমধ্যেই যাবতীয় প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। মমতা বলেন, কোচবিহারে আমার সভা রয়েছে। কিন্তু সন্ধ্যাদির মৃত্যু খবর পেয়ে মন খারাপ হয়ে গেল। তাই বুধবার দ্রুত কাজ সেরে আমি কলকাতায় ফিরে আসছি। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজ্য সরকার সর্ব্বোচ্চ সম্মান দিয়ে সন্ধ্যার শেষকৃত্য করবে। আজ বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত রবীন্দ্রসদনে সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধা নিবেদন করা যাবে। বিকেলে দক্ষিণ কলকাতার ক্যাওড়াতলা মহাশ্মশানে রাজ্য সরকারের তত্ত্বাবধানে পূর্ণ মর্যাদায় তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।মঙ্গলবার কোচবিহারে অনন্ত মহারাজের একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা মুখ্যমন্ত্রী। তারপর উত্তরবঙ্গের শিল্পপতিদের সঙ্গেও তাঁর বৈঠক কর্মসূচি রয়েছে। সেই কর্মসূচি দ্রুত শেষ করে কলকাতায় ফিরে আসবেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২২
রাজ্য

Digha: রাতারাতি দিঘা ছাড়ার হুড়োহুড়ি পর্যটকদের

সোমবার থেকে ঘুরে বেড়ানো যাবে না দিঘা সমুদ্র সৈকতে। এমনকী সমুদ্রের ঢেউয়ে পা ডোবানোও মানা পর্যটকদের। সরকার রাজ্যজুড়ে কঠোর বিধিনিষেধের ঘোষণা করার পরই সিদ্ধান্ত নিল পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন। রাজ্যজুড়ে করোনার ক্রমবর্ধমান সংক্রমণে রাশ টানতে রবিবার বেশ কিছু কঠোর বিধিনিষেধের ঘোষণা করেছে সরকার। এর ফলে সোমবার থেকেই তালা ঝুলেছে রাজ্যের পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে। তাই বিধিনিষেধ ঘোষণার পর থেকে তৎপর পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসনও। রবিবার রাত থেকেই দিঘা সৈকতে মাইক নিয়ে প্রচারে নেমেছে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন।ঘোষণার পর থেকে দিঘার পাশাপাশি মন্দারমণি, তাজপুর-সহ সৈকতনগরী ছেড়ে বাড়ি যাওয়ার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যায় পর্যটকদের মধ্যে। যারা নিজস্ব গাড়ি এনেছেন, তাঁদের কিছুটা স্বস্তি থাকলেও চরম ভোগান্তির মুখে ট্রেন বা বাসে সফর করে দিঘায় বেড়াতে আসা যাত্রীরা। রাতেই অনেকে হোটেল ছেড়ে বাড়ি ফেরার জন্য স্টেশন ও বাসস্ট্যান্ডে জড়ো হতে শুরু করেন। তবে বাস বা ট্রেন না পেয়ে রীতিমতো হতাশ হয়ে পড়েন তারা।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Bright Enobakhare: কলকাতায় ফিরছেন ব্রাইট এনবাখারে? কোন ক্লাবে জানতে পড়ুন

আবার আইএসএলে খেলতে দেখা যাবে ব্রাইট এনবাখারেকে? তেমন সম্ভাবনা প্রবল হয়ে দেখা দিয়েছে। তবে পুরনো ক্লাব এসসি ইস্টবেঙ্গলে নয়, লালহলুদের চিরশত্রু এটিকে মোহনবাগানের জার্সি গায়ে খেলতে দেখা যেতে পারে ব্রাইট এনবাখারেকে। একই সঙ্গে সন্দেশ ঝিংঘানেরও এটিকে মোহনবাগানে ফেরার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়েছে।অনেক প্রত্যাশা নিয়ে ফিনল্যান্ডের জনি কাউকোকে দলে নিয়েছিল এটিকে মোহনবাগান। কিন্তু তাঁর সম্পর্কে মোহভঙ্গ হয়েছে সবুজমেরুন কর্তাদের। দলবদলের দ্বিতীয় উইন্ডোতে তাঁকে ছেড়ে দিয়ে ব্রাইট এনবাখারেকে দলে নিতে চায় এটিকে মোহনবাগান। এই মুহূর্তে ইংল্যান্ডের ক্লাব কোভেন্ট্রি সিটিতে খেলছেন ব্রাইট। উলভারহ্যাম্পটনের প্রাক্তন ফরওয়ার্ডকে পাওয়ার জন্য ঝাঁপিয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল, চেন্নাইয়ান এফসি এবং এফসি গোয়াও। এই তিন দলকে পেছনে ফেলে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে এটিকে মোহনবাগান।ব্রাইটের প্রতি আগেও নজর ছিল এটিকে মোহনবাগানের। গত মরসুমেও পাওয়ার জন্য ঝাঁপিয়ে ছিল এটিকে মোহনবাগান। পরফরম্যান্স ভাল হলে চুক্তি বাড়িয়ে ২০২৪ পর্যন্ত করা হবে বলে নাইজেরীয় ফরওয়ার্ডের এজেন্টকে জানিয়েছেন সবুজমেরুন কর্তারা।এসসি ইস্টবেঙ্গলের হাত ধরে ভারতীয় ফুটবলে পা রেখেছিলেন ব্রাইট। তাঁর সঙ্গে ২ বছরের চুক্তি ছিল লালহলুদের। সঙ্গে দুবছরের চুক্তি ছিল তাঁর। এই মরসুমে ইস্টবেঙ্গল আইএসএল খেলবে কিনা, ঠিক ছিল না। তাই লালহলুদের কাছ থেকে রিলিজ নিয়ে কোভেন্ট্রি সিটিতে যোগ দেন ব্রাইট। কিন্তু সেখানে খেলার সুযোগ না পেয়ে রিলিজ নিয়ে নেন।এদিকে চলতি বছরের আগস্টে এটিকে মোহনবাগান ছেড়ে ক্রোয়েশিয়ার এইচএনকে সিবেনিকে যোগ দিয়েছিলেন সন্দেশ ঝিঙ্গান। চোটের জন্য মাঠে নামার সুযোগ পাননি। চোট সারাতে তিনি দেশে ফিরে এসেছেন। তাঁকে ফেরানোর জন্য বাগান কর্তারা প্রস্তাব দিয়েছেন। সবুজমেরুন কর্তাদের প্রস্তাব ভাবাচ্ছে সন্দেশকে।

জানুয়ারি ০২, ২০২২
কলকাতা

Omicron: ৩ জানুয়ারি থেকে ব্রিটেন ফেরত বিমান নামবে না শহরে, কেন্দ্রকে চিঠি নবান্নর

ওমিক্রন পরিস্থিতি নজরে রেখে কলকাতায় ব্রিটেন থেকে আগত বিমান নামায় নিষেধাজ্ঞা জারি করল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার। আগামী ৩ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হতে চলেছে নতুন নিষেধাজ্ঞা। বৃহস্পতিবার চিঠি দিয়ে এই সিদ্ধান্তের কথা কেন্দ্রকে জানিয়ে দিয়েছে নবান্ন।বৃহস্পতিবারই কেন্দ্রীয় বিমান পরিবহণ মন্ত্রককে এ বিষয়ে চিঠি দিয়েছেন রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব বিপি গোপালিকা। চিঠিতে তিনি জানান, বিশ্বজুড়ে ওমিক্রনে সংক্রমণের বিষয়টি মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগের আবহে কেন্দ্র যে ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকা প্রকাশ করেছে, ওই তালিকায় রয়েছে ব্রিটেন।ঝুঁকিপূর্ণ নয়, এমন দেশ থেকে আসা বিমান যাত্রীদের কলকাতায় এসে নিজেদের খরচেই কোভিড পরীক্ষা করাতে হবে বিমানবন্দরে। চিঠিতে জানানো হয়েছে, প্রত্যেক বিমান সংস্থাকেই বিমানে ওঠা ১০ শতাংশ যাত্রীর কোভিড পরীক্ষা করাতে হবে আরটিপিসিআর পদ্ধতিতে। আর বাকিদের র্যা পিড অ্যান্টিজেন পদ্ধতিতে পরীক্ষা হবে। এই পদ্ধতিতে রিপোর্ট পজিটিভ এলে তাঁদের আবার আরটিপিসিআর পদ্ধতিতে পরীক্ষা করাতে হবে। বিমানবন্দরে কোভিড পরীক্ষার কাজে যাতে খুব বেশি সময় নষ্ট না হল, তার জন্য যাত্রীদের আগে থেকেই পরীক্ষার বুকিং করাতে হবে বলে জানানো হয়েছে চিঠিতে।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২১
দেশ

Omicron: বুস্টার-সহ ৩টি টিকা নিয়েও ওমিক্রন আক্রান্ত মুম্বইয়ের যুবক

বুস্টার-সহ তিনটি করোনা টিকা নেওয়ার পরেও ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন এক যুবক। বৃহন্মুম্বই পুরসভা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আমেরিকা ফেরত ওই ব্যক্তির জিন বিন্যাসের পরীক্ষা করে করোনা ভাইরাসের ওমিক্রন রূপের সংক্রমণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে।ওই যুবক ফাইজারের দুটি টিকা নেওয়ার পরেও সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে বুস্টার নিয়েছিলেন বলে বিএমসি-র বিবৃতিতে বলা হয়েছে। আক্রান্তের সংস্পর্শে আসা দুই ব্যক্তির আরটিপিসিআর পরীক্ষা করানো হলেও তাঁদের দেহে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়েনি।বিএমসি-র তরফে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২৯ বছরের ওই যুবক নভেম্বরের গোড়ায় নিউ ইয়র্ক থেকে মুম্বই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছিলেন। তাঁর শরীরে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কোনও উপসর্গ ছিল না। বিমানবন্দরে নিয়ম মাফিক পরীক্ষায় জানা যায় তিনি কোভিড-১৯ আক্রান্ত। ফলে তাঁকে হাসাপাতালে ভর্তি করানো হয়। এর পরে তাঁর জিন বিন্যাস পরীক্ষা হয়েছিল।প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর যে দুজনের সংস্পর্শে সবথেকে বেশি এসেছিলেন ওই যুবক, তাদের পরীক্ষা করানো হয়েছে এবং রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। আপাতত ওই রোগী হাসপাতালেই ভর্তি রয়েছে।এই নিয়ে বাণিজ্যনগরীতে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫-এ। এদের মধ্যে ৫ জন মুম্বইয়ের বাসিন্দা নন বলেই জানা গিয়েছে। তবে সুখবর হল, আক্রান্ত ১৫ জন রোগীর মধ্যে ১৩ জনই ইতিমধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন এবং বাড়ি চলে গিয়েছেন। বাকি দুইজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দেশের পরিসংখ্যানের নিরিখে সর্বাধিক আক্রান্তের খোঁজ মহারাষ্ট্রেই পাওয়া গিয়েছে, এখনও অবধি রাজ্যের মোট ৪০ জন ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২১
কলকাতা

Trekkers: ফিরল ৫ বাঙালি পর্বতারোহীর দেহ

আজ বাড়ি ফিরল উত্তরাখণ্ডের বিপর্যয়ে মৃত ৫ পর্বতারোহীর কফিনবন্দি নিথর দেহ। শোকে স্তব্ধ পাঁচ পাহাড়িয়ার পরিবার। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা ২০ এবং ৭টা ২০ নাগাদ দিল্লি থেকে দেহ নিয়ে রওনা দেয় বিমানে। এদিকে, কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু, মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস। সুজিত বসু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এসেছি। আজ ৫ জনের মৃতদেহ এখান থেকে পৌঁছে দেওয়া হবে তাঁদের পরিবারের কাছে। খুবই দুঃখজনক ঘটনা।গত ১০ অক্টোবর উত্তরাখণ্ডের খারকিয়া থেকে বাগেশ্বর ,জাটুলি, দেবীকুণ্ড, নাগকুণ্ড হয়েকানাকাটা পাসে ট্রেকিংয়ে গিয়েছিলেন সাগর দাসেরা। কিন্তু প্রবল বৃষ্টি ও তুষার ঝড়ের কবলে পড়ে আটকে যান সুন্দরডুঙ্গা হিমবাহের কাছে। এতদিন আবহাওয়া খারাপ থাকার বারবার ব্যাহত হচ্ছিল তাদের উদ্ধারকাজ। পরে সেই সুন্দরডুঙ্গা হিমবাহের কাছেই পাওয়া যায় পাঁচ ট্রেকার নিথর দেহ। মৃত ট্রেকারদের তালিকায় রয়েছেন,সাধন বসাক, তিনি ঠাকুরপুকুর জায়গীর রোডের বাসিন্দা। এছাড়াও বিকাশ মাকাল, সৌরভ দাস, সাবিয়ান দাসের দেহ উদ্ধার হয়েছে।

অক্টোবর ২৮, ২০২১
কলকাতা

Uttrakhand: ৬ বন্ধুকে আজীবনের মত বিদায় দিয়ে বাড়ি ফিরলেন মিঠুন

ফেরা হল না বাকি বন্ধুদের। দুঃস্বপ্ন কাটিয়ে অবশেষে বাড়ি ফিরলেন বিষ্ণুপুরের মিঠুন দারি । গতকাল উত্তরাখণ্ড থেকে দিল্লি হয়ে কলকাতায় ফেরেন তিনি। উত্তরকাশিতে যাওয়া সাত বাঙালির মধ্যে একমাত্র জীবিত তিনি। আহত অবস্থায় উত্তরাখণ্ডের জেলা হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন মিঠুন। গত ১১ই অক্টোবর কলকাতা থেকে উত্তর কাশিতে ট্রেকিং করতে যান সাতজন বাঙালি। এরপর সোমবার সকালে চার অভিযাত্রীর দেহ ফেরে কলকাতায়। ঘটনার বিষয়ে যদিও মিঠুন বেশি কিছু সংবাদমাধ্যমকে জানাতে পারেননি। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, এখন অনেকটাই সুস্থ রয়েছেন। তবে ভুলতে পারছেন না সেখানকার ভয়াবহ স্মৃতি।গত ২২ অক্টোবর প্রথম পাঁচ জনের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। উত্তরাখণ্ডের বাগেশ্বর কন্ট্রোল রুম থেকে বাংলার পাঁচ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন,সাধন বসাক, তিনি ঠাকুরপুকুর জায়গীর রোডের বাসিন্দা। এছাড়াও বিকাশ মাকাল, সৌরভ দাস, সাবিয়ান দাসের দেহ উদ্ধার হয়েছে। তাঁদের পরিচয় জানা গিয়েছে।১১ জন পর্বতারোহীর মধ্যে দুজনকে জীবিত অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয়েছিল আগেই। অর্থাৎ বাকি ৯ জনের মধ্যে ৫ জনের দেহ উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে, এই দলটি ট্রেকিং-এ গিয়েছিল। সেখানে গিয়েই বিপত্তি ঘটে। ওই দলের মধ্যে ছিলেন ৭ জন বাঙালি। সেই ৭ জনের মধ্যে স্বশরীরে বাড়ি ফিরলেন মিঠুন।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
কলকাতা

TMC Joining: ৬ মাসের জল্পনা মিটিয়ে তৃণমূলে ফিরলেন বিশ্বজিৎ দাস

সোমবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষ। মঙ্গলবার তৃণমূলে যোগ দিলেন উত্তর ২৪ পরগনার বাগদার বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস। দুজনেই বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি-তে গিয়েছিলেন। গেরুয়া শিবির তাঁদের টিকিটও দেয়। এবং দুজনেই ভোটে জেতেন। তার পর ফের তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন।আরও পড়ুনঃ টিকার লাইনে ধুন্ধুমার-রক্তারক্তি, পদপিষ্ট ২৫মঙ্গলবার তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং মহিলা তৃণমূলের সভানেত্রী কাকলি ঘোষদস্তিদারের হাত থেকে ঘাসফুল পতাকা তুলে নেন বিশ্বজিৎ। দলে ফিরে বাগদার বিধায়ক জানান, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে উন্নয়নের যজ্ঞে শামিল হতেই বিজেপি ছেড়েছেন। বিজেপিত্যাগী বিধায়কের মন্তব্য, ভুল বোঝাবুঝির কারণেই তৃণমূল ছেড়েছিলাম। ঠিক হয়নি। কিন্তু বিজেপিতে কাজের পরিবেশ নেই, দমবন্ধ হয়ে আসছিল। তাই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরলাম। তাঁর মতে, বিজেপি নেতৃত্ব বাংলা বোঝেন না। বাংলার আবেগ ধরতে পারেনি বিজেপি। বিশ্বজিতের হাতে দলের পতাকা ধরিয়ে পার্থ বলেন, বিজেপি-র ধ্বংসাত্মক রাজনীতির সঙ্গে নিজেকে মেলাতে পারছিলেন না বিশ্বজিৎ। দলের কাছে আবেদন করেন। দল তাঁর আবেদন মঞ্জুর করেছে।২৪ ঘণ্টা আগে একইভাবে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরেছেন বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষ। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলে তন্ময়ের ফেরা নিয়ে বলেছিলেন, তৃণমূল পুলিশের ভয় দেখিয়ে দলে টেনেছে।

আগস্ট ৩১, ২০২১
দেশ

Afghan-Corona: তালিবানের থেকে বাঁচলেও করোনা থেকে শেষরক্ষা হল না

তালিবানের হাত থেকে রক্ষা পেলেও করোনার থাবা থেকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। নানা সতর্কতা সত্ত্বেও রক্ষা মিলল না করোনা-র হাত থেকে। মঙ্গলবার যে ৭৮ জন যাত্রীকে আফগানিস্তান থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে, তাদের মধ্যে ১৬ জনের করোনা রিপোর্টই পজিটিভ এসেছে বলে জানা গিয়েছে।করোনার চোখ রাঙানির মাঝেই উদ্ধারকার্য চালানো হচ্ছে আফগানিস্তানে। সেখানে আটকে থাকা ভারতীয় ও বেশ কিছু আফগান বাসিন্দাদেরও ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। যাত্রীরা বিমানবন্দরে পৌঁছতেই করোনা পরীক্ষা করা হচ্ছে, দেওয়া হয়েছে পোলিও টিকাও। মঙ্গলবারই কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়, আফগানিস্তান ফেরত সকলকেই কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে। সেই নির্দেশ অনুযায়ীই ৭৮ জনকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়। এদের মধ্যেই ১৬ যাত্রীর করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। জানা গিয়েছে, আক্রান্তদের সকলেই উপসর্গহীন।আরও পড়ুনঃ বুমরার বাউন্সারে কেমন অসহায় বোধ করেছিলেন অ্যান্ডারসন?সূত্রের খবর, করোনা আক্রান্তদের মধ্যে তিনজন গ্রন্থিও রয়েছেন, যারা শিখ ধর্মগ্রন্থ গুরু গ্রন্থ সাহিব কাবুল থেকে দিল্লিতে ফিরিয়ে এনেছিলেন। কেন্দ্রীয়মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী নিজে সেই ধর্মগ্রন্থগুলি সংগ্রহ করতে যান। তাঁর টুইট করা ছবিতে হাতে ধর্মগ্রন্থটিও দেখা যায়। যারা এই বইটি এনেছেন, তারাই করোনা আক্রান্ত হওয়ায় আইসোলেশনে যেতে হতে পারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকেও। গত সপ্তাহে তালিবানরা কাবুল দখল করে নেওয়ার পর থেকেই আটকে থাকা ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে তৎপর হয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। ইতিমধ্যেই ৬২৬ জনকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এদের মধ্যে ২২৮ জনই ভারতীয়। রাষ্ট্রদূত, দূতাবাসের কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ আফগান নাগরিকদেরও ঠাঁই দেওয়া হয়েছে। মোট ৭৭ জন আফগান শিখকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। হিন্দু ও শিখ ছাড়াও যারা আফগানিস্তান ছেড়ে চলে আসতে চান, তাদের আশ্রয় দেওয়া হবে বলে আগেই জানানো হয়েছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে।

আগস্ট ২৫, ২০২১
রাজ্য

GTA-Dhankhar: জিটিএ-র দুর্নীতি বিচারে অডিট করাবেন রাজ্যপাল

সাতদিনের উত্তরবঙ্গ সফর শেষে জিটিএ-তে দুর্নীতির অভিযোগে সরব হলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। সোমবার বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘ কয়েকবছর ধরে গোর্খা টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে (GTA) অডিট হয়নি। তিনি ক্যাগ (CAG)-কে দিয়ে অডিট করাতে চান। তাহলেই স্বচ্ছতা বজায় থাকবে। পাশাপাশি তাঁর আরও অভিযোগ, জিটিএ যে উদ্দেশে তৈরি হয়েছিল, তা পূরণ হয়নি। বছরের পর বছর ধরে পাহাড়বাসীর কোনও উন্নয়ন করে জিটিএ।২০১৭ সালে পাহাড়ের তৎকালীন প্রতাপশালী নেতা মোর্চার বিমল গুরুংয়ের আবেদন মেনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিটিএ তৈরির অনুমোদন করেন। মূলত পাহাড়বাসীর উন্নয়নের লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত। জিটিএ-তে কে কোন দায়িত্ব পালন করবেন, তাও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শক্রমেই ঠিক হয়। এটি একটি স্বশাসিত সংস্থা। অন্যান্য প্রশাসনিক সংগঠনের মতো নির্বাচনের মাধ্যমে জিটিএ-তেও দায়িত্বপ্রাপ্তদের নির্বাচিত করার কথা। কিন্তু ২০১৭ সালের পর থেকে নানা জটিলতার কারণে সেখানে নির্বাচন হয়নি। বিমল গুরুং, বিনয় তামাং হয়ে মোর্চা নেতা অনীত থাপা নানা সময়ে সামলেছেন জিটিএ চেয়ারম্যানের দায়িত্ব। তবে এই মুহূর্তে সেখানে কাজ করছে প্রশাসক বোর্ড।আরও পড়ুনঃ করোনা ফাঁড়া কাটিয়ে ডব্লুউবিসিএস-সহ তিনটি পরীক্ষার নির্ঘণ্ট ঘোষণাতারই মধ্যে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় ৭ দিনের জন্য উত্তরবঙ্গ (North Bengal) সফরে গিয়েছিলেন। দার্জিলিংয়ের রাজভবনে থাকাকালীন তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন সেখানকার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা। রাজ্যপালের দাবি, তাঁদের সকলের সঙ্গে কথা বলে তিনি একটা বিষয় সম্পর্কে নিশ্চিত যে পাহাড়ে এই কবছরে কোনও উন্নয়ন হয়নি। জিটিএ তৈরি হয়েছিল যে উদ্দেশে অর্থাৎ পাহাড়বাসীর উন্নয়নের জন্য, তা সফল হয়নি। না নির্বাচন, না অডিট কিছুই হয়নি জিটিএতে। তাই তিনি নিজে CAG-কে দিয়ে অডিট করাতে চান। তাঁর এই বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিন শিলিগুড়ির কার্যালয় বৈঠকের পর তিনি বলেন, এই দাবি যুক্তিপূর্ণ। অবশ্যই জিটিএ-র অডিট হওয়া উচিত। কেন্দ্রীয় সরকার প্রতি বছর উন্নয়নের জন্য টাকা পাঠায়। কিন্তু রাজ্য সরকারের কর্মী, আধিকারিকরা তা নয়ছয় করেন আর উন্নয়নের কাজ হয় না কিছুই।এদিকে, জিটিএ-র কোষাগার নিয়ে রাজ্যপালের এই দুর্নীতির অভিযোগ মানতে নারাজ প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা মোর্চা নেতা অনীত থাপা। তাঁর দাবি, প্রতি বছর অডিট হয়েছে। পাহাড়ে অনেক উন্নয়নের কাজ করেছি আমরা। উনি অডিট করাতে চাইলে করান, আমাদের কোনও অসুবিধা নেই। সব হিসেব পেয়ে যাবেন।

জুন ২৮, ২০২১
দেশ

PNB Scam: মালিয়া-চোকসি-মোদির শেয়ারের ৯ হাজার কোটি টাকা ফেরানো হল ব্যাংকে

আজও দেশে ফেরানো যায়নি তিন পলাতক শিল্পপতি বিজয় মালিয়া (Vijay Mallya) , মেহুল চোকসি (Mehul Choksi) ও নীরব মোদিকে (Nirav Modi)। তিনজনের কারণে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলির ক্ষতির পরিমাণ ২২ হাজার ৫০০ কোটি টাকারও বেশি। বুধবার তিনজনের মোট ৯ হাজার ৩৭১ কোটি টাকা জমা পড়ল ব্যাংকে। এর মাধ্যমে আংশিক ক্ষতিপূরণ হবে ব্যাংকগুলির।ইতিমধ্যেই ওই তিন শিল্পপতির মোট ১৮ হাজার ১৭০ কোটি টাকার সম্পতি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি (ED)। যা ব্যাংকগুলির মোট ক্ষতির প্রায় ৮০ শতাংশ। বুধবার ইডির তরফে জানানো হয়েছে কেবল সম্পত্তি বাজেয়াপ্তই নয়, সেই সঙ্গে শেয়ারের গুরুত্বপূর্ণ ৯ হাজার ৩৭১ কোটি ১৭ লক্ষ টাকা এবার ফিরিয়ে দেওয়া হল রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও কেন্দ্রীয় সরকারকে।তিন পলাতক শিল্পপতির কারণে ব্যাংকগুলিকে মোট ২২ হাজার ৫৮৫ কোটি ৮৩ লক্ষ টাকার ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছিল। তিনজনকেই দেশে ফেরানোর সব রকম চেষ্টা হলেও এখনও সাফল্য আসেনি। তবে এরই মধ্যে ৯ হাজার ৩৭১ কোটি টাকা ফেরত পাওয়ার ফলে ব্যাংকগুলি কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবে।বিজয় মালিয়া রয়েছেন ব্রিটেনে। তাঁকে ভারতের হাতে প্রত্যর্পণ করার দাবি জানিয়েছে সরকার। তবে এখনও সেই আরজিতে সবুজ সংকেত না মেলায় ফেরানো যায়নি একদা কিংফিশারের কর্ণধারকে। তবে সম্প্রতি যে পলাতক শিল্পপতিকে নিয়ে তুমুল শোরগোল পড়েছিল তিনি মেহুল চোকসি।অ্যান্টিগুয়া থেকে কিউবায় পালানোর পথে ডোমিনিকায় ধরা পড়েছেন চোকসি। তারপর থেকে সেখানেই বন্দি রয়েছেন তিনি। তাঁকে দেশে ফেরানোর প্রাথমিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলেও আশা ছাড়েননি ভারতীয় গোয়েন্দারা। শীঘ্রই তাঁকে দেশে নিয়ে আসার চেষ্টা করা হচ্ছে।

জুন ২৩, ২০২১
কলকাতা

ন্যাঁড়া হয়ে তৃণমূলে ফিরলেন ৫০০ কর্মী

এবার আরামবাগের বিজেপি শিবিরে ভাঙন। পদ্মশিবিরে যোগের প্রায়শ্চিত্ত হিসেবে ন্যাঁড়া হয়ে সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের হাত ধরে তৃণমূলে (TMC) ফিরলেন প্রায় ৫০০ কর্মী। এবিষয়ে এখনও পর্যন্ত বিজেপির কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। একুশের নির্বাচনের (West Bengal Assembly Elections) আগে তৃণমূল ত্যাগের হিড়িক পড়ে গিয়েছিল নেতা-কর্মীদের মধ্যে। বিভিন্ন এলাকা থেকে বহু কর্মী শিবির বদলে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে। কিন্তু কয়েকমাসের মধ্যেই তাঁদের মোহভঙ্গ হয়েছে। দলবদলু বহু নেতা-কর্মীই ধীরে ধীরে ফিরছেন ঘরে। মঙ্গলবার তৃণমূলে ফিরলেন আরামবাগের ৫০০ বিজেপি কর্মী। এদিন তাঁরা প্রত্যেকে ন্যাঁড়া হন। জানা গিয়েছে, বিজেপিতে গিয়ে ভুল করেছিলেন, তার প্রায়শ্চিত্ত স্বরূপ ন্যাঁড়া হয়েছেন ওই কর্মীরা। ফিরে এসেছেন তৃণমূলে। এ বিষয়ে সাংসদ অপরূপা পোদ্দার বলেন, ভোটের আগে কর্মীদের ভুল বুঝিয়ে বিজেপিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এখন প্রত্যেকে ভুল বুঝতে পারছেন তাই ফিরে আসছেন। আর প্রত্যেকে স্বেচ্ছায় প্রায়শ্চিত্ত করার জন্য ন্যাঁড়া হয়েছেন।

জুন ২২, ২০২১
রাজনীতি

দলত্যাগী পুরনো সৈনিকরা ফিরতে চাইলে স্বাগত, জানালেন মমতা

ভোটের মুখে অনেকেই মুখ ফিরিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে। দল থেকে বেরিয়েই প্রাক্তন নেত্রীকে অভিযোগে বিদ্ধ করতে ছাড়েননি কেউই। ব্যাপক সাফল্য পাওয়ার পরও দলত্যাগীদের প্রতি এতটুকুও ক্ষোভ দেখা গেল না তৃণমূল সুপ্রিমোর চোখে-মুখে। উলটে কেউ ফিরতে চাইলে স্বাগত, এমনটাই বললেন তিনি।তৃণমূল ত্যাগীদের তালিকায় প্রথম নাম ছিল শুভেন্দু অধিকারীর। বিজেপিতে গিয়ে তিনি সাফল্য পেলেও, বাকি দলত্যগীদের অধিকাংশই ফিরেছেন শূন্যহাতে। যেমন নিজের কেন্দ্র ডোমজুর থেকে বিজেপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেও সফল হননি প্রাক্তন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। ওয়াকিবহল মহলের মতে, তাঁর দলত্যাগকে ভালভাবে নেয়নি আমজনতা। একইভাবে জয়ের মুকুট পাওয়া তো দূর-অস্ত দ্বিতীয় স্থানও পাননি বৈশালী ডালমিয়া। একইভাবে পরাজিত হয়েছেন প্রবীর ঘোষাল, জিতেন্দ্র তিওয়ারি, শীলভদ্র দত্ত, মিহির গোস্বামী, বিশ্বজিৎ কুণ্ডু, রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য, সব্যসাচী দত্ত-সহ একাধিক দলবদলু নেতা। স্বাভাবিকভাবেই দল বদলেও দাঁত ফোটাতে পারেননি যাঁরা তাঁদের রাজনৈতিক কেরিয়ার নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠতে শুরু করছে। তবে কি ফের দল পালটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছত্রছায়ায় ফিরবেন তাঁরা? এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে সকলের মনে। সেই সঙ্গে আরও একটি প্রশ্ন মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে, বিপদ আশঙ্কা করে যে নেতারা দল ছেড়েছিলেন আর তাঁদের ফিরিয়ে নেবেন মমতা? সোমবার কালীঘাট থেকেই সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাফ বললেন, যাঁরা ফিরতে চান, ফিরুন না, কে বারণ করেছে, ওয়েলকাম। অর্থাৎ মান-অভিমান ভুলে পুরনো সৈনিকদের কাছে টেনে নিতে যে কোনও সমস্যা নেই, তা জানিয়ে দিলেন মমতা। উল্লেখ্য, রাজ্যে পরিবর্তন হতে চলেছে, এই আশঙ্কা করে গত কয়েকমাসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনেক বিশ্বস্ত সৈনিক দল ছেড়েছিলেন। তবে লক্ষ্যে অবিচল ছিলেন নেত্রী। বিপুল আসন নিয়ে ফের বাংলা জয় করেছেন তিনি।

মে ০৩, ২০২১
রাজ্য

দেশে ফিরতে না পেরে পেট্রাপোলে বিক্ষোভ বাংলাদেশি নাগরিকদের

পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই আচমকা বন্ধ ভারত-বাংলাদেশ পেট্রাপোল সীমান্ত। বন্ধ যাত্রী পারাপার। আর এর ফলে দিনভর পেট্রাপোল সীমান্তে আটকে পড়লেন কয়েকশো বাংলাদেশি নাগরিক। শেষপর্যন্ত দেশে ফিরতে না পেরে অবশেষে বিক্ষোভের পথ বেছে নিলেন মেডিক্যাল ভিসায় বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসা ওই যাত্রীরা৷ সোমবার সন্ধ্যার পর থেকে পেট্রাপোল সীমান্ত চলছে বাংলাদেশি নাগরিকদের এই বিক্ষোভ।করোনার সংক্রমণ দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় সোমবার থেকে ভারত-বাংলাদেশ যাত্রী পারাপার বন্ধ রাখার কথা ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকার। ২৬ এপ্রিল থেকে ৯ মে পর্যন্ত বন্ধ থাকবে যাত্রী পারাপার। সোমবার থেকে সেই নির্দেশ লাগু হয়েছে। পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই এই সিদ্ধান্ত হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন দুপারের যাত্রীরাই। ভারতে চিকিৎসা করতে এসে আটকে পড়েছেন কয়েকশো রোগী ও তাঁদের আত্মীয়রা৷ দেশে ফেরার জন্য সোমবার সকাল থেকে পেট্রাপোল বন্দরে এসেছিলেন কয়েকশো বাংলাদেশি নাগরিক। কিন্তু বর্ডার বন্ধ। তাঁরা দেশে ফিরতে পারলেন না। দিনভর অনেক অনুনয় বিনয় করেও কোনও ফল হয়নি। অবশেষে সন্ধের পর থেকে বাংলাদেশি যাত্রীরা পেট্রাপোল সীমান্তে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছেন। বিক্ষোভকারী বাংলাদেশি নাগরিকদের অনেকেরই সোমবার ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে। খরচ চালানোর মতো টাকাও তাঁদের হাতে নেই। তাই তাঁরা দেশে ফেরার জন্য বিক্ষোভ শুরু করেছেন। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে কয়েকজন রোগী ও স্কুলপড়ুয়া রয়েছেন বলে খবর।বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, ভিসার মেয়াদ শেষ। হাতে প্রয়োজনীয় টাকাও নেই। দেশে ফিরতে না পারলে এপারে না খেয়ে মরতে হবে। বাংলাদেশের কুষ্টিয়া থেকে চিকিৎসা করাতে ভারতে এসেছিলেন স্বপন কুমার বিশ্বাস। তিনি বলেন পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই আচমকা বাংলাদেশ সরকার যাত্রী পারাপারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করায় বিপাকে পড়েছি আমরা। এভাবে না খেয়ে মৃত্যুর থেকে জোর করে বাংলাদেশে ঢুকতে গিয়ে গুলি খেয়ে মরব। সংবাদমাধ্যমকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন ক্যান্সার আক্রান্ত মহিলার করিমুন্নেসাI তিনি বলেন, টাকাও শেষ হয়েছে। দেশে ফিরতে পারছি না। এখন কি করব। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাঁদের দেশে ফেরানোর আবেদন জানালেন নড়াইলের স্কুলছাত্রী রিয়া মণ্ডল। তিনি ভারতে অপারেশন করতে এসেছিলেন। পেট্রাপোল সীমান্তে অভিবাসন দপ্তরের আধিকারিক তরুণ বিশ্বাস জানান, বাংলাদেশ সরকার যাত্রী পারাপারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। তাই বর্ডারের গেট বন্ধ আছে। যাঁরা বাংলাদেশ হাইকমিশনার থেকে এনওসি আনছেন। কেবল তাঁরাই বাংলাদেশের ফিরতে পারবেন।

এপ্রিল ২৭, ২০২১
দেশ

'সরি, জানতাম না ওটা করোনার ওষুধ’

আলমারিতে টাকা থাকলেও চোর ব্যাগ বোঝাই করে নিয়ে গিয়েছিল করোনা টিকা। বিষয়টি জানাজানি হতেই দেশজুড়ে শোরগোল পড়ে যায়। এদিকে, রাতারাতি মন বদলে যায় চোরবাবাজিরও। তাই পরেরদিনই ব্যাগ সমেত ভ্যাকসিন ফেরত দিয়ে যান। সঙ্গে পাঠান একটি চিঠিও, যাতে লেখা রয়েছে, সরি, জানতাম না এটা করোনার ওষুধ। গোটা দেশজুড়ে ভ্যাকসিন চুরি নিয়ে হুলুস্থুল পড়তেই চুরির দ্রব্য ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় চোর। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল দুপুর নাগাদ এক ব্যক্তি ব্যাগ নিয়ে সিভিল লাইন পুলিশ স্টেশনের বাইরে অবস্থিত চায়ের দোকানে আসেন। দোকানের মালিককে তিনি জানান, পুলিশকর্মীদের জন্য খাবারের ডেলিভারি রয়েছে। তাঁকে অন্য একটি জায়গায় ডেলিভারিতে যেতে হবে, তাই এই ব্যাগটি যেন ভিতরে পৌঁছে দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার সকালেই জানা যায়, হরিয়ানার জিন্দ জেলার একটি হাসপাতাল থেকে চুরি করেছে করোনা ভ্যাকসিনের ১৭১০টি ডোজ়। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা যায়, বুধবার মধ্যরাতে দুই ব্যক্তি পাঁচিল টপকে হাসপাতালে ঢুকেছিল। তাঁরাই আলমারি থেকে ভ্যাকসিন চুরি করে বলে সন্দেহ পুলিশের। ঘটনার পরই অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান শুরু করে পুলিশ। অজ্ঞাতপরিচয় ওই দুই ব্যক্তির নামে অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার সকালেই হাসপাতালের কর্মীরা এসে দেখেছিলেন, সেন্টারের দরজার তালা ভাঙা। উধাও হয়ে গিয়েছে ১,৭১০ ডোজ় করোনা ভ্যাকসিন। এর মধ্যে কোভিশিল্ডের ১,২৭০ টি ডোজ় ও ৪৪০টি কোভ্যাক্সিনের ডোজ ছিল। তবে অক্ষত ছিল পাশেই রাখা পোলিও ও অন্যান্য ভ্যাকসিন। এমনকী, ৫০ হাজার টাকাও নেয়নি চোরেরা।

এপ্রিল ২৩, ২০২১
রাজ্য

ভোটের মাঝে ফের অপসারিত কলকাতার ৮ রিটার্নিং অফিসার

বঙ্গে চলছে বিধানসভা নির্বাচন। মঙ্গলবারই ছিল তৃতীয় দফার নির্বাচন। আর সেদিনই ভোট সংক্রান্ত বিষয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের। একসঙ্গে সরিয়ে দেওয়া হল কলকাতার আটজন রিটার্নিং অফিসারকে। বিবৃতি দিয়ে এই খবর জানাল নির্বাচন কমিশন।কমিশনের মতে, পরপর তিন বছর কেউ এক পদে থাকতে পারেন না। সেক্ষেত্রে সেই আধিকারিককে সরিয়ে দেওয়াই নিয়ম। কিন্তু এতদিন কলকাতার ক্ষেত্রে সেই নিয়ম কার্যকর করা হয়নি। এবার সেই বিধিই কার্যকর করা হল। আর তাই সরানো হয়েছে ওই আট রিটার্নিং অফিসারকে। যদিও সূত্রের খবর, বিভিন্ন সময়ে ওই আট আধিকারিকের উপর পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছিল। তাঁদের কাছে বিভিন্ন সময়ে একাধিক অভিযোগও জমা পড়েছিল। কিন্তু কোনও সময়ই তাঁরা সেই অভিযোগগুলির প্রতি গুরুত্ব দেননি। এরপরই সেই খবর পৌঁছায় নির্বাচন কমিশনের কাছে। খবর পেয়েই নড়েচড়ে বসেন কমিশনের আধিকারিকরা। ওই আটজন অফিসারকে শো-কজ করা হয়। তারপরই মূলত তাঁদের অপসারণের সিদ্ধান্ত নিল কমিশন। ওই আটজনের পরিবর্ত হিসেবে নতুন রিটার্নিং অফিসারও নাকি ঠিক করে ফেলা হয়েছে।কমিশনের তরফে খবর, কলকাতার মোট আটটি বিধানসভা এলাকার রিটার্নিং অফিসারকে অপসারিত করা হয়েছে। এগুলি হল- কলকাতা বন্দর , জোড়াসাঁকো, ভবানীপুর, এন্টালি, চৌরঙ্গী, বেলেঘাটা, শ্যামপুকুর, কাশীপুর-বেলগাছিয়া। অর্থাৎ কলকাতার ১১টি আসনের মধ্যে আটটিরই রিটার্নিং অফিসারকে সরিয়ে দিল কমিশন। এই কেন্দ্রগুলিতে এবার একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থী ভোটে দাঁড়িয়েছেন। এর মধ্যে কলকাতা পোর্ট বা বন্দর আসন থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী আবার ফিরহাদ হাকিম। তবে তাঁর এলাকার রিটানিং অফিসারকেও অপসারিত করা হয়েছে।

এপ্রিল ০৬, ২০২১
কলকাতা

উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরে পুলিশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ রাজ্যপাল

উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরে রাজ্য পুলিশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। বুধবার পাহাড় থেকে শহরে ফিরেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। স্টেশনে তাঁকে স্বাগত জানায় পুলিশ। টুইটে সেই ছবি শেয়ার করেন রাজ্যপাল। উল্লেখযোগ্যভাবে এদিনের টুইটে পুলিশের প্রশংসা করেন তিনি। টুইটে সেই ছবি শেয়ার করেন রাজ্যপাল। রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্টতার তকমা এবার পুলিশের গা থেকে ঘুচতে দেখবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর উল্লেখ্য, নভেম্বর মাসটা দার্জিলিংয়ের রাজভবনে ছিলেন সস্ত্রীক রাজ্যপাল। সেখান থেকেই যাবতীয় দায়দায়িত্ব পালন করেন তিনি। সেখানেও একাধিকবার রাজ্য ও পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন পুলিশ। কিন্তু এদিন তিনি পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করায় স্বাভাবিকভাবে অবাক প্রত্যেকে।

ডিসেম্বর ০২, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ডিজিটাল ক্লাস থেকে খুদেদের প্রাতরাশ, জাতীয় শিক্ষক পুরস্কারে মনোনীত বর্ধমানের পলাশ

শুধু চক-ডাস্টার আর পাঠ্যবইয়ের মধ্যে শিক্ষাকে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রযুক্তিকে হাতিয়ার করে খুদে পড়ুয়াদের কাছে পড়াশোনাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছেন বর্ধমান শহরের শ্রীরামকৃষ্ণ সারদা বিদ্যাপীঠ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পলাশ চৌধুরী। শ্রেণিকক্ষে প্রযুক্তির অভিনব প্রয়োগের পাশাপাশি পড়ুয়াদের মানসিক বিকাশ, পরিবারের ভূমিকা এবং পুষ্টির দিকেও তাঁর নজর। এই বহুমুখী উদ্যোগের স্বীকৃতি হিসেবেই চলতি বছর জাতীয় শিক্ষক পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন তিনি।এ বছর পশ্চিমবঙ্গ থেকে দুজন শিক্ষক জাতীয় শিক্ষক পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন। প্রায় আট বছর পর সেই তালিকায় বর্ধমানের কোনও স্কুলশিক্ষকের নাম উঠে আসায় খুশি পড়ুয়া থেকে অভিভাবকসকলেই। এর আগে ২০১৮ সালে বর্ধমানের কাঞ্চননগর ডি এন দাস হাইস্কুলের শিক্ষক সুভাষচন্দ্র দত্ত জাতীয় শিক্ষক পুরস্কার পেয়েছিলেন।পলাশ চৌধুরীর শিক্ষাদর্শনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল প্রযুক্তির ব্যবহার। শ্রীরামকৃষ্ণ সারদা বিদ্যাপীঠের ক্লাসে পাঠ্যপুস্তকের পাশাপাশি ডিজিটাল ছবি ও লেখার সাহায্যে বিভিন্ন বিষয় পড়ুয়াদের সামনে তুলে ধরা হয়। কঠিন বিষয়কে সহজ করে বোঝাতে ভার্চুয়াল পদ্ধতিও কাজে লাগানো হয়েছে। মহাকাশ কিংবা মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মতো বিষয়গুলিকে ভার্চুয়াল পরিবেশে দেখার সুযোগ পাচ্ছে পড়ুয়ারা। প্রধান শিক্ষকের দাবি, এর ফলে শিশুদের মধ্যে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ এবং জানার কৌতূহল দুটোই বেড়েছে।শিক্ষার বাইরেও পড়ুয়াদের ব্যক্তিত্ব বিকাশের দিকে গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। স্কুলের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল করা পড়ুয়াদের পুরস্কৃত করা হয় না। সেরা হাতের লেখা, উদীয়মান প্রতিভা কিংবা ঘুরে দাঁড়ানোর সেরা উদাহরণ-এর মতো নানা বিভাগে পড়ুয়াদের উৎসাহিত করা হয়। এর মাধ্যমে শিশুদের ভিন্ন ভিন্ন প্রতিভা ও সাফল্যকে স্বীকৃতি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।পড়ুয়াদের সাফল্যের পিছনে পরিবারের অবদানকেও সামনে এনেছেন পলাশবাবু। সন্তানদের সারা বছর পড়াশোনায় উৎসাহ দেওয়ার জন্য স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের মায়েদের দেওয়া হয় সেরা আপনজন সম্মান। তাঁর মতে, একটি শিশুর সাফল্যের পিছনে পরিবারের সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে। তাই তাঁদের অবদানকেও সম্মান জানানো প্রয়োজন।প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিয়ে অভিভাবকদের সচেতন করতেও স্কুলের উদ্যোগ রয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই সম্পর্কে ধারণা দিতে সম্প্রতি একটি কর্মশালার আয়োজন করা হয়। পলাশ চৌধুরীর বক্তব্য, অনেক অভিভাবক সরাসরি সন্তানদের পড়াশোনায় সাহায্য করতে পারেন না। প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে তাঁরা জানলে সন্তানদের পড়াশোনায় সহযোগিতা করা তাঁদের পক্ষে সহজ হবে।তবে পলাশ চৌধুরীর উদ্যোগ শুধু শ্রেণিকক্ষ কিংবা প্রযুক্তির মধ্যেই থেমে নেই। পড়ুয়াদের শারীরিক পুষ্টির বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে স্কুলে। মিড-ডে মিলের পাশাপাশি প্রধান শিক্ষকের নিজস্ব উদ্যোগ এবং অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সহযোগিতায় চালু হয়েছে প্রাতরাশের ব্যবস্থা। স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের অনেক শিশু সকালে খালি পেটে স্কুলে আসে। তাদের কথা মাথায় রেখেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা, পড়ুয়াদের প্রতিভার স্বীকৃতি, অভিভাবকদের অংশগ্রহণ এবং শিশুদের পুষ্টির প্রতি নজর, সব মিলিয়ে বর্ধমানের এই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিসরকে আরও বিস্তৃত করার চেষ্টা করেছেন পলাশ চৌধুরী। আর সেই কাজেরই স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় শিক্ষক পুরস্কারের মনোনয়ন তাঁর মুকুটে নতুন পালক যোগ করেছে।

আগস্ট ২৭, ২০২৬
দেশ

আরও বাড়তে পারে গঙ্গার জল, বন্যার আশঙ্কায় নদীপাড়ে বাড়ছে উদ্বেগ

গঙ্গার জলস্তর বিপদসীমা অতিক্রম করায় মুর্শিদাবাদের বিস্তীর্ণ নদীতীরবর্তী এলাকায় উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। ফরাক্কা থেকে সামশেরগঞ্জ, সুতী, লালগোলা, জিয়াগঞ্জ হয়ে জলঙ্গী পর্যন্ত গঙ্গার পাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে তৈরি হয়েছে আতঙ্ক। তার উপর প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার সতর্কবার্তা আসায় ভয় আরও বাড়ছে স্থানীয়দের।সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, গঙ্গার জলস্তর বিপদসীমা ২২.২৫ মিটার ছাড়িয়ে বর্তমানে ২২.৭৭ মিটারে পৌঁছেছে। আগামীকাল রাত ৮টার মধ্যে জলস্তর আরও বেড়ে ২২.৮৫ মিটারে পৌঁছতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। নেপালে সাম্প্রতিক ধ্বংসাত্মক হড়কা বানের জেরে অতিরিক্ত জল গণ্ডক নদী হয়ে পাটনায় গঙ্গায় মিশছে। বিহারের পাটনা ও রাজমহল হয়ে সেই জল ফরাক্কায় পৌঁছনোর কারণেই দ্রুত জলস্তর বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।ফরাক্কা ব্যারেজের জেনারেল ম্যানেজার আরডি দেশপান্ডে জানিয়েছেন, আপস্ট্রিম থেকে আসা জলের মধ্যে ফরাক্কার ফিডার ক্যানাল দিয়ে প্রায় ৪০ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হচ্ছে। অন্যদিকে, ফরাক্কার ডাউনস্ট্রিমে প্রায় সাড়ে ১১ লক্ষ কিউসেক জল প্রবাহিত হচ্ছে।সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশনের আধিকারিক সঞ্জীব কুমার জানিয়েছেন, বিকেল ৩টের সময় গঙ্গার জলস্তর ২২.৭৭ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। বিপদসীমার তুলনায় যা অনেকটাই বেশি। তাঁর কথায়, জলস্তর এখনও ঊর্ধ্বমুখী এবং পাটনা ফোরকাস্ট স্টেশনের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামীকাল রাত ৮টার মধ্যে তা ২২.৮৫ মিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। নেপালের হড়কা বানের প্রভাবেই এই জলবৃদ্ধি বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এখনও পর্যন্ত শহরে জল ঢোকার কোনও রেকর্ড নেই এবং পরিস্থিতি সেফ জোনে রয়েছে বলেও জানান তিনি।পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদীপাড়ের বাসিন্দাদের সতর্ক করা হচ্ছে। প্রতি ঘণ্টার আপডেট মেল ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে প্রশাসন ও রাজ্য সরকারকে জানানো হচ্ছে। ফরাক্কার বিডিও সুজয় ব্যাপারী জানিয়েছেন, জলস্তর বাড়ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা ও ব্লক প্রশাসন সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।তবে প্রশাসনের সতর্কবার্তায় আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারাও। ফরাক্কার গঙ্গাপাড়ের বাসিন্দা শরৎ হালদার বলেন, প্রশাসনের দফতর থেকে বারবার সাবধান থাকার মেসেজ আসছে। তাঁর আশঙ্কা, আরও এক মিটার জল বাড়লেই নালা দিয়ে গ্রামে জল ঢুকে পড়তে পারে। টিনের ঘরবাড়িতে বসবাসকারী গরিব মানুষজন বন্যা হলে কোথায় যাবেন, কীভাবে থাকবেনসেই চিন্তাতেই এখন রাত কাটছে তাঁদের।

আগস্ট ২৭, ২০২৬
রাজ্য

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, দুবাই, ইংল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানির শিল্পমহল শিল্পস্থাপনে যথেষ্ট আগ্রহী, দাবি মন্ত্রী তাপস রায়ের

রাজ্যে শিল্পায়ন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহল আগ্রহী বলে দাবি করেছেন শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আন্তর্জাতিক শিল্পমহলে ইতিমধ্যেই যথেষ্ট আগ্রহ তৈরি হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, দুবাই, ইংল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, সিঙ্গাপুর এবং জাপান, মিতসুবিশি-সহ বিভিন্ন দেশের শিল্পপতি ও কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা রাজ্যে বিনিয়োগের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, আগামী দিনে সেমিকন্ডাক্টর হাব, ডেটা সেন্টার, তথ্যপ্রযুক্তি এবং আধুনিক উৎপাদন শিল্পকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গে একটি শক্তিশালী শিল্প পরিকাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে বৃহৎ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করার পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের হারানো শিল্পগৌরব পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলে তিনি জানান। রাজ্যের শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ প্রসঙ্গে শিল্পমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে পশ্চিমবঙ্গে নতুন শিল্পায়নের পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। শিল্পনীতি, ল্যান্ড ব্যাংক, ল্যান্ড পলিসি, ইনসেন্টিভ স্কিম এবং Single Window ব্যবস্থাকে কার্যকর করার লক্ষ্যে সরকারের পক্ষ থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন GoM বৈঠকের মাধ্যমে শিল্পক্ষেত্রে নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে চলেছে বলেও তিনি জানান।রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পরও কিছু ক্ষেত্রে তোলাবাজির অভিযোগ উঠছে। এই প্রসঙ্গে তাপস রায় সরকারের Zero Tolerance নীতির কথা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন। তিনি জানান, সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থে যে কোনও ধরনের বেআইনি তোলাবাজি এবং সিন্ডিকেট কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণে সরকার কঠোর পদক্ষেপ করবে। অতীতে এই ধরনের কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের উপরও নজরদারি রাখা হচ্ছে বলে তিনি জানান। আইন অমান্য করে কেউ বেআইনি কার্যকলাপে যুক্ত হলে রাজনৈতিক পরিচয় বা পদমর্যাদা নির্বিশেষে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।এদিন ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূল কংগ্রেসের অফিসে হানা দেয় কলকাতা পুরসভা ও পুলিশ। ওই অফিসে বসেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিনও তিনি ও ডেরেক ওব্রায়েন অফিসে ছিলেন। কলকাতা পুরসভা ও পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে। শিল্পমন্ত্রী বলেন, সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠানগুলি তাদের আইনানুগ দায়িত্ব পালন করবে। সেই কাজে বাধা সৃষ্টি করলে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার-সহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার প্রশাসনের রয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে সরকার কোনো ধরনের আপস করবে না বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।

আগস্ট ২৭, ২০২৬
কলকাতা

ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের দফতরে পুরসভার হানা, ভেঙে ফেলা হল তৃণমূলের সাইনবোর্ড! ধস্তাধস্তি, আটক ১২

তৃণমূলের দ্বিতীয় ক্ষমতাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ক্যামাক স্ট্রিটের দফতরকে ঘিরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তীব্র উত্তেজনা ছড়াল কলকাতায়। ৯, ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতরের ছাদে থাকা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস লেখা সাইনবোর্ডকে বেআইনি বলে অভিযোগ তুলে সেটি খুলে দিল কলকাতা পুরসভা। অভিযান ঘিরে পুরকর্মী ও পুলিশের সঙ্গে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে। পুলিশ-পুরসভার কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ১২ জনকে আটক করা হয়েছে।ঘটনার সূত্রপাত কলকাতা পুলিশের একটি অভিযোগকে কেন্দ্র করে। পুলিশ পুরসভাকে জানায়, অভিষেকের দফতরের মাথায় লাগানো ওই বড় বিলবোর্ডটি নিয়ম মেনে বসানো হয়নি। অভিযোগ পাওয়ার পর কলকাতা পুরসভার বিজ্ঞাপন বিভাগের আধিকারিকেরা বৃহস্পতিবার বিকেলে ক্যামাক স্ট্রিটে পৌঁছন।খবর পেয়ে দফতরে হাজির হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় এবং রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন-সহ কয়েক জন। পুরসভার আধিকারিকেরা যে নির্দেশের কপি নিয়ে এসেছিলেন, তার বৈধতা নিয়ে তাঁরা প্রশ্ন তোলেন। দীর্ঘক্ষণ তর্ক-বিতর্কের পর প্রথম দফায় পুরকর্মীরা ফিরে যান।কিন্তু কিছুক্ষণ পর ফের পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে দফতরে পৌঁছন পুরসভার আধিকারিকেরা। এ বার পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ বাহিনী হেলমেট পরে দফতরের ভিতরে ঢোকে। যে অংশে সাইনবোর্ডটি ছিল, সেখানে যাওয়ার পথে বাধার মুখে পড়তে হয় তাঁদের।অভিযোগ, তৃণমূলের কয়েক জন নেতা-কর্মী সিঁড়িতে বসে বা শুয়ে পড়ে পুলিশ ও পুরকর্মীদের আটকানোর চেষ্টা করেন। ধস্তাধস্তির সময় কয়েক জন পুলিশকর্মীকে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগও ওঠে। শেষ পর্যন্ত তালা ভেঙে ছাদে পৌঁছন পুরকর্মীরা। সেখান থেকেই খুলে ফেলা হয় অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস লেখা সাইনবোর্ডটি। পরে তার ভাঙা অংশ ছাদেই পড়ে থাকতে দেখা যায়।এই ঘটনার পরই রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হয়। ঘটনাস্থল থেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি এবং রাজ্যের বিরোধী শিবিরের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, তৃণমূলকে রাজনৈতিক ভাবে কোণঠাসা করার উদ্দেশ্যেই ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে পুরসভার মাধ্যমে হস্তক্ষেপ করা হয়েছে।অভিষেক বলেন, তৃণমূলকে মিটিং-মিছিলের অনুমতি না দেওয়া, দলের নেতাদের আক্রমণ করা এবং পার্টি অফিস ও বিলবোর্ড ভেঙে দেওয়ার মাধ্যমে তাঁদের ভয় দেখানোর চেষ্টা চলছে। তাঁর কথায়, ঘাসফুলকে যত কাটা হবে, ততই তা বাড়বে। একই সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীকেও আক্রমণ করেন তিনি।অভিষেকের আরও অভিযোগ, ক্যামাক স্ট্রিটের ওই এলাকায় ফুটপাত ও বিভিন্ন দোকানের উপরে একাধিক বিলবোর্ড রয়েছে। অথচ শুধুমাত্র তাঁর দফতরের বোর্ডকেই কেন নিশানা করা হল, সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, বেআইনি নির্মাণ ও অন্যান্য অবৈধ বিজ্ঞাপনের বিরুদ্ধে একই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইনি লড়াইয়ের পথেও হাঁটছে তৃণমূল। অভিষেকের তরফে জানানো হয়েছে, পুলিশ ও পুরসভার ভূমিকার বিরুদ্ধে হাই কোর্টে মামলা করা হবে। ইতিমধ্যেই বিষয়টি আদালতে তোলার উদ্যোগ হয়েছে। প্রধান বিচারপতি শুক্রবার বিষয়টি মেনশন করার অনুমতি দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।অন্যদিকে, এর আগে ডায়মন্ড হারবারের আমতলায় অভিষেকের সাংসদ কার্যালয়ের একাংশ বেআইনি নির্মাণ-এর অভিযোগে প্রশাসনের তরফে ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। সেই ঘটনাও আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। তার পর এ বার খোদ কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের দফতরের দলীয় সাইনবোর্ড ভাঙাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হল।ঘটনাস্থলে তৃণমূলের সাধারণ কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি অবশ্য তেমন ছিল না। খবর ছড়ালেও বড় কোনও জমায়েত দেখা যায়নি। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সন্ধ্যার পর থেকেই ক্যামাক স্ট্রিটে বাহিনী বাড়িয়ে দেয়। উত্তেজনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়।এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজায় বিরোধী শিবিরও পিছিয়ে থাকেনি। অভিষেকের দফতরে পুলিশের অভিযান প্রসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় কটাক্ষ করে বলেন, অভিষেক উচ্চমার্গের চার্টার্ড মাফিয়া। তাঁর দাবি, এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দেওয়ার মতো সময় তাঁর নেই।সব মিলিয়ে, এক সময় তৃণমূলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ৯, ক্যামাক স্ট্রিট এখন নতুন রাজনৈতিক সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু। একটি সাইনবোর্ড অপসারণকে ঘিরে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, ১২ জনকে আটক এবং আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারিসব মিলিয়ে ঘটনাটি রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে।

আগস্ট ২৭, ২০২৬
রাজ্য

নেপাল বিপর্যয়ে নিখোঁজ বাংলার পর্যটকরা, উদ্বেগে একাধিক পরিবার

নেপালের ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পর নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক পর্যটকের পরিবারে। কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রার উদ্দেশ্যে নেপালে যাওয়া রাজ্যের বহু পর্যটকের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের হিসাব অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত ৩৬ জনের খোঁজ মিলছে না। নিখোঁজদের মধ্যে কলকাতা ছাড়াও হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশ্চিম বর্ধমান, দার্জিলিং এবং উত্তর ২৪ পরগনার বাসিন্দারা রয়েছেন।বুধবার নেপাল-চিন সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় ভয়াবহ হড়পা বান নামে। ভোটেকোশী নদীর জল আচমকা ফুলে ওঠায় বিস্তীর্ণ এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিপর্যয়ের জেরে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং এখনও নিখোঁজ রয়েছেন অনেকে। সেই নিখোঁজদের তালিকাতেই রয়েছেন ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রায় যাওয়া পর্যটকেরা।কলকাতা থেকে নেপাল, তারপর আর কোনও খোঁজ নেইকলকাতার নাকতলা ও কসবার দুই বাসিন্দা রিনা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সুস্মিতা ভট্টাচার্যও নিখোঁজদের তালিকায় রয়েছেন। দুজনেই ভ্রমণ সংস্থার সঙ্গে নেপাল গিয়েছিলেন।২১ অগস্ট একটি ৩০ জনের দলের সঙ্গে নেপালের উদ্দেশে রওনা দেন সুস্মিতা। কাঠমান্ডু পৌঁছে পশুপতিনাথ মন্দির দর্শনের পর দলটি কেরুং হয়ে তিব্বত সীমান্তের দিকে এগোয়। সেখান থেকেই পরিবারের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। শেষ দিকে হোয়াট্সঅ্যাপের মাধ্যমে পরিবারের সঙ্গে কথা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন তাঁর পুত্রবধূ।একই ভাবে ২১ অগস্ট নেপালে যাওয়া রিনার সঙ্গেও যোগাযোগ করতে পারছে না পরিবার। ভ্রমণ সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করেও এখনও নিশ্চিত কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।নিখোঁজ মুকুল রায়ের পুত্রবধূওনিখোঁজ পর্যটকদের তালিকায় রয়েছেন প্রয়াত তৃণমূল নেতা মুকুল রায়ের পুত্রবধূ শর্মিষ্ঠা ভৌমিক রায়। গত ২১ অগস্ট একটি ভ্রমণ সংস্থার সঙ্গে নেপালে গিয়েছিলেন তিনি। বুধবারের বিপর্যয়ের পর থেকেই তাঁর সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন।স্বামী শুভ্রাংশু রায়ের দাবি, বিভিন্ন ভাবে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এখনও পর্যন্ত শর্মিষ্ঠার কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।সোনারপুরের লোপামুদ্রারও সন্ধান নেইদক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরের বৈকুণ্ঠপুরের বাসিন্দা সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার লোপামুদ্রা কুন্ডুও নিখোঁজ। পরিবারের সঙ্গে শেষ কথা হওয়ার সময় তিনি জানিয়েছিলেন, চিন সীমান্তের কাছাকাছি রয়েছেন।২১ অগস্ট ৩০ জনের একটি দলের সঙ্গে নেপাল যান লোপামুদ্রা। বুধবার সকালেও পরিবারের সঙ্গে কথা হয়েছিল তাঁর। এরপর থেকেই ফোনে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না।দুর্গাপুরের দুই দম্পতিকে ঘিরে উৎকণ্ঠাপশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুর থেকেও একাধিক পর্যটকের খোঁজ মিলছে না। অম্বুজা টাউনশিপের বাসিন্দা দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী সঙ্ঘমিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায় ২১ অগস্ট কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রার উদ্দেশ্যে নেপাল যান। দেবাশিস দুর্গাপুর ইস্পাত হাসপাতালের কর্মী এবং সঙ্ঘমিত্রা শিক্ষক।একই সঙ্গে দুর্গাপুরের তপোবন সিটি এলাকার বাসিন্দা অরিন্দম গঙ্গোপাধ্যায় ও মৌসুমি গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গেও যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। তাঁদের পরিবার এবং প্রতিবেশীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, বিপর্যয়ের খবর পাওয়ার পর থেকেই ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু কোনও উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না।বসিরহাটের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক দম্পতিও নিখোঁজউত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের খান বাহাদুর রোডের বাসিন্দা স্বপন মণ্ডল ও তাঁর স্ত্রী মৌ মণ্ডলও নেপালে গিয়ে নিখোঁজ। দুজনেই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। প্রায় এক সপ্তাহ আগে তাঁরা নেপালে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তাঁদের কৈলাস যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল।প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পর থেকেই তাঁদের মোবাইল ফোন বন্ধ। ফলে পরিবারের উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে।তারকেশ্বরের পর্যটকদের নিয়েও দুশ্চিন্তাহুগলির তারকেশ্বরের চাউলপট্টির বাসিন্দা স্নেহাশিস দত্ত এবং একই এলাকার ভ্রমণ সংস্থার কর্মী জয়ন্ত সান্যালও ওই দলের সঙ্গে ছিলেন। পরিবারের দাবি, বুধবার তিব্বত সীমান্ত পেরোনোর কথা ছিল তাঁদের।স্নেহাশিসের স্ত্রী সোমা দত্ত জানিয়েছেন, বুধবার সকাল ৭টা ২৫ মিনিটে স্বামীর সঙ্গে শেষ কথা হয়েছিল। তিনি জানিয়েছিলেন, তাঁরা অভিবাসন দফতরের দিকে যাচ্ছেন। এরপর থেকেই আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।শিলিগুড়ির সমরের খোঁজে কাঠমান্ডু পাড়ি দাদারদার্জিলিং জেলার শিলিগুড়ির শান্তিনগর-বউবাজার এলাকার বাসিন্দা সমর মণ্ডলও নিখোঁজ। ১৬ অগস্ট একটি ট্র্যাভেল এজেন্সির মাধ্যমে নেপালের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন তিনি। মঙ্গলবার শেষ বার পরিবারের সঙ্গে কথা হয়।কৈলাস যাত্রার পথে তাঁর শারীরিক অসুস্থতাও হয়েছিল বলে পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে। বুধবার কাঠমান্ডু ফিরে আসার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু বিপর্যয়ের পর আর কোনও খবর না মেলায় ভাইয়ের খোঁজে তাঁর দাদা ইতিমধ্যেই কাঠমান্ডুর উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।৬৮ বছরের অনিতাকে ঘিরেও উৎকণ্ঠাহাওড়ার আন্দুল হাটগাছা এলাকার ৬৮ বছরের অনিতা দাসও নেপাল-তিব্বত সীমান্তের কাছে নিখোঁজ বলে পরিবার জানিয়েছে। কৈলাস-মানস সরোবর যাওয়ার দীর্ঘদিনের ইচ্ছা ছিল তাঁর।মঙ্গলবার সকালে ছেলের সঙ্গে শেষ কথা হয়েছিল অনিতার। তখন তিনি জানিয়েছিলেন, তাঁরা সীমান্তের কাছাকাছি রয়েছেন। এরপর থেকেই তাঁর ফোন বন্ধ।প্রশাসনের তৎপরতার দিকে তাকিয়ে পরিবারনেপালের বিপর্যয়ের পর একের পর এক পর্যটকের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে বাংলার বিভিন্ন পরিবারে। কেউ শেষ ফোনকলের অপেক্ষায়, কেউ আবার আত্মীয়ের খোঁজে প্রশাসনের দ্বারস্থ হচ্ছেন।নিখোঁজ পর্যটকদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য না পাওয়া পর্যন্ত উৎকণ্ঠা কাটছে না পরিবারগুলির। উদ্ধারকাজ এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হওয়ার দিকে তাকিয়ে রয়েছেন তাঁরাকখন আসে বহু প্রতীক্ষিত সেই ফোন, সেই আশাতেই দিন গুনছেন স্বজনেরা।

আগস্ট ২৭, ২০২৬
রাজ্য

৩১ অগস্টের পরেও কি থাকবে চাকরি? ২৬ হাজার মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল সংক্রান্ত মামলায় আপাতত বড় স্বস্তি পেলেন যোগ্য প্রার্থীরা। ২০১৬ সালের স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশই আপাতত বহাল থাকছে। ফলে নতুন করে শুনানি এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত যোগ্য হিসেবে চিহ্নিত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের চাকরি নিয়ে তাৎক্ষণিক অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে না।২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর দীর্ঘ আইনি লড়াই শুরু হয়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পর বিষয়টি গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। ২০২৫ সালের ৩ এপ্রিল শীর্ষ আদালত ২০১৬ সালের পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিলের নির্দেশ দেয়। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যোগ্য ও অযোগ্য প্রার্থীদের নির্ভুল ভাবে আলাদা করা সম্ভব হয়নি।পরবর্তী সময়ে রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা এবং স্কুলগুলিতে শিক্ষক-সংকটের কথা মাথায় রেখে যোগ্য শিক্ষকদের সাময়িক ভাবে চাকরিতে বহাল থাকার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। সেই অন্তর্বর্তী নির্দেশ অনুযায়ী ৩১ অগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত তাঁদের চাকরি বহাল থাকার কথা ছিল। একই সঙ্গে নতুন করে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদে নতুন নিয়োগ সম্পূর্ণ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে আদালতের দ্বারস্থ হন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের বক্তব্য, এত অল্প সময়ের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ না হলে যোগ্য শিক্ষকরা ফের চাকরি হারানোর আশঙ্কায় পড়বেন।এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানিতে জানানো হয়েছে, নতুন অন্তর্বর্তী আবেদনের ভিত্তিতে চূড়ান্ত শুনানি না হওয়া পর্যন্ত আগের নির্দেশই কার্যকর থাকবে। ফলে আপাতত যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য স্বস্তির পরিস্থিতি তৈরি হল।তবে এই নির্দেশকে চূড়ান্ত রায় হিসেবে দেখা হচ্ছে না। পরবর্তী শুনানিতে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, তার উপরই নির্ভর করবে ২৬ হাজার চাকরি মামলায় যোগ্য শিক্ষকদের ভবিষ্যৎ। ফলে আপাতত স্বস্তি মিললেও পুরোপুরি অনিশ্চয়তা কাটছে না।

আগস্ট ২৫, ২০২৬
রাজ্য

লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? বিষয়টা হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী। আসল অভিমুখের সমস্যা দেখুন।

মানবিক আচরণ করুন, পার্কস্ট্রিটের ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে কুণালফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই পার্কস্ট্রিটের ওই ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। এদিন তিনি ওই পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। একই সঙ্গে পার্কস্ট্রিট থানার পুলিশের কাছেও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মানবিক আচরণের আবেদন জানান তিনি।কুণাল ঘোষের বক্তব্য, ফুটপাথে বসবাসকারী মানুষও সমাজেরই অংশ। তাঁদের সঙ্গে সহানুভূতিশীল ও মানবিক আচরণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে কোনও পরিবারের শিশু, মহিলা বা অসহায় সদস্যদের বিষয়টি বিবেচনা করে প্রশাসনের আরও সংবেদনশীল হওয়া উচিত বলেই মনে করেন তিনি।অগ্নিমিত্রা পালের আচরণ ও মন্তব্য প্রসঙ্গে কুণালের বক্তব্যের মূল সুর ছিলকোনও সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে অসহায় মানুষকে হেয় বা অপমান করা উচিত নয়। ফুটপাথে কেন কোনও পরিবারকে থাকতে হচ্ছে, সেই বৃহত্তর সামাজিক ও মানবিক সমস্যাটিও প্রশাসনকে দেখতে হবে। সামাজ মাধ্যমে এক ব্যক্তির প্রশ্নের উত্তরে কুনাল ঘোষ লেখেন, দিল্লী বা লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? রাস্তায় ভিক্ষুক এ বিষয়টার থেকেও গুরুত্বপূর্ন হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী বলেন কুনাল ঘোষ।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাম ও তৃণমূল শিবির থেকে অগ্নিমিত্রা পালের সমালোচনা শুরু হয়েছে। বাম নেত্রী কনীনিকা ঘোষও পুরমন্ত্রীর আচরণের নিন্দা করেছেন।যদিও রাজনৈতিক চাপানউতোরের মাঝেই অগ্নিমিত্রা পালের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচি। তাঁর দাবি, ওই পরিবারের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই পুরমন্ত্রী পদক্ষেপ করেছিলেন। বিষয়টিকে নেগেটিভ ভাবে তুলে ধরা হচ্ছে বলেও দাবি তাঁর।ফলে ফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্ক ক্রমেই রাজনৈতিক তরজায় পরিণত হয়েছে। একদিকে ফুটপাথবাসী পরিবারের প্রতি মানবিক আচরণের দাবি, অন্যদিকে তাঁদের নিরাপত্তার যুক্তিদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি।

আগস্ট ২৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

যুবভারতীতে লাল-হলুদ ঝড়, বাগানকে উড়িয়ে ২২ বছর পর ডুরান্ড ইস্টবেঙ্গলের

২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফের ট্রফি ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল। ডার্বির মঞ্চে এমন একতরফা জয় যে লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছেও ছিল প্রায় অবিশ্বাস্য। আর সেই জয়ের কেন্দ্রে একটাই নামএডমুন্ড লালরিনডিকা। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে তিনিই হয়ে উঠলেন রাতের নায়ক।গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের কাছে হারের যন্ত্রণা ছিল ইস্টবেঙ্গলের। ফাইনালের মঞ্চে সেই হারের জবাব দেওয়ার সুযোগও ছিল। কিন্তু জবাবটা যে এতটা নির্মম হবে, তা সম্ভবত কেউই ভাবেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলে মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল করে ইস্টবেঙ্গল কার্যত ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে।শুরুটা করেন বিপিন সিংহ। মোহনবাগানের রক্ষণ তখনও নিজেদের মধ্যে সামলে ওঠার চেষ্টা করছে। সেই সুযোগেই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ পৌঁছে যায় বিপজ্জনক জায়গায়। বিপিনের গোলের পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে লাল-হলুদ আক্রমণ। মুহূর্তের মধ্যে জোড়া গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন এডমুন্ড।৩-০ পিছিয়ে গিয়ে মোহনবাগান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। মনবীর সিংহ ব্যক্তিগত দক্ষতায় একটি গোল শোধও করেন। কিন্তু সেই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ফের গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এডমুন্ড। এক ফাইনালের প্রথমার্ধেই চার গোলতার মধ্যে তিনটি একই ফুটবলারের! যুবভারতীর গ্যালারিতে তখন কার্যত লাল-হলুদ উৎসব।দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ছিল ইস্টবেঙ্গলের হাতে। সবুজ-মেরুন আক্রমণে সেই ধার দেখা যায়নি, যা একটি ডার্বি ফাইনালে প্রত্যাশিত। বরং ইস্টবেঙ্গল সুযোগ পেলেই দ্রুত আক্রমণে উঠে এসেছে এবং আরও গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ স্কোরলাইনেই শেষ হয় ম্যাচ।ইস্টবেঙ্গলের সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ ছিল দলের সামগ্রিক সংগঠন। মাঝমাঠে মহম্মদ রশিদ ছিলেন অসাধারণ। বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং খেলা পরিচালনায় বারবার তিনি মোহনবাগানের ছন্দ নষ্ট করেছেন। তাঁর সঙ্গে জিকসন সিংহ, আনোয়ার আলি এবং জয় গুপ্তারাও নিজেদের দায়িত্ব নিখুঁত ভাবে পালন করেন।অন্যদিকে মোহনবাগানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণ। শুভাশিস বসু, আলবের্তো রদ্রিগেজ়দের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব বারবার প্রকট হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের দ্রুত আক্রমণের সামনে তাঁরা অনেক সময়ই দিশেহারা হয়ে পড়েন। বিশেষ করে তৃতীয় ও চতুর্থ গোলের ক্ষেত্রে রক্ষণভাগের ভুল চোখে পড়ার মতো।মাঝমাঠেও মোহনবাগান প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেনি। আপুইয়া এবং অনিরুদ্ধ থাপা কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন। আক্রমণে জেমি ম্যাকলারেনও একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মনবীর গোল করলেও দলকে ম্যাচে ফেরানোর মতো ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেননি।ফাইনালের আগে মোহনবাগানের ক্লান্তি নিয়ে আলোচনা ছিল। শিলংয়ে সেমিফাইনাল, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং কর্দমাক্ত মাঠে খেলার ধকলসবই ছিল। কিন্তু ডার্বির মতো বড় ফাইনালে সেই ক্লান্তিকে অজুহাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ইস্টবেঙ্গলও একই টুর্নামেন্টের চাপ সামলে মাঠে নেমেছিল, অথচ তাদের ফুটবলারদের মধ্যে ছিল অনেক বেশি তাগিদ, ক্ষুধা এবং জয়ের মানসিকতা।আর সেই মানসিকতারই সবচেয়ে বড় প্রতিফলন এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে। তিন গোল করে শুধু ম্যাচের সেরা ফুটবলারই হলেন না, ডুরান্ডের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গলের প্রত্যাবর্তনের রাতটিকেও নিজের নামে লিখে দিলেন তিনি।মজার বিষয়, ম্যাচের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে মোহনবাগান কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও তার কোনও প্রভাব পড়েনি স্কোরলাইনে। কারণ ফুটবল শুধু বল দখল বা শটের সংখ্যা দিয়ে জেতা যায় নাবড় ম্যাচে প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সুযোগকে গোলে পরিণত করার ক্ষমতা। সেই পরীক্ষায় রবিবার সম্পূর্ণ সফল ইস্টবেঙ্গল।২২ বছর আগে শেষ বার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর দীর্ঘ অপেক্ষা, হতাশা এবং একের পর এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন। সেই অপেক্ষার অবসান হল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়েই। ফলে এই জয় শুধু একটি ট্রফি জয় নয়লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে এটি দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফিরে পাওয়া গৌরবের রাত।একদিকে এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের বিপর্যয়সব মিলিয়ে যুবভারতীতে রবিবারের ডার্বি যেন হয়ে রইল এক লাল-হলুদ ঝড়ের রাত।তবে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনে হয়তো শেষ পর্যন্ত একটাই আক্ষেপ থেকে গেলচার নয়, আরও কয়েকটি গোল হতে পারত!

আগস্ট ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal